• মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

ভরা মৌসুমে চট্টগ্রামে চালের বাজার অস্থির করে তুলেছেন ব্যবসায়ীরা

অনলাইন ডেস্ক
আপডেটঃ : মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার: পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ থাকার পরও এক সপ্তাহের ব্যবধানে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে চট্টগ্রামে চালের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা বলেছেন, ভরা মৌসুমে চালের দাম বাড়ার কোনও কারণ নেই। চালের পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। তবু মূলত সিন্ডিকেট করে বাজার অস্থির করে তুলেছেন ব্যবসায়ীরা। চট্টগ্রাম নগরীতে চালের পাইকারি বাজার আছে দুটি। এর মধ্যে একটি চাক্তাই আরেকটি পাহাড়তলী। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্বাচনের আগের দিন অর্থাৎ গত ৬ জানুয়ারি পাইকারি বাজারে সেদ্ধ চালের বস্তা জিরাশাইল ছিল ৩১৫০ টাকা, পাইজাম ২৫০০ টাকা, নূরজাহান ২৩০০ টাকা, মিনিকেট ২৩৫০ টাকা, ভিয়েতনামের বেতি ২২৫০ টাকা ও দেশি বেতি ২৪০০ টাকা। সামবার (১৫ জানুয়ারি) পাহাড়তলী পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি বস্তা জিরাশাইল ৩৩০০ টাকা, পাইজাম ২৬৫০ টাকা, নূরজাহান ২৫০০ টাকা, মিনিকেট ২৭০০ টাকা, ভিয়েতনামের বেতি ২৫০০ টাকা ও দেশি বেতি ২৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে সেদ্ধ চালের মতো আতপ চালের মধ্যে কাটারি প্রতি বস্তায় ৪০০ টাকা বেড়ে ৩৬০০ টাকা, মিনিকেট ৩০০ টাকা বেড়ে তিন হাজার টাকা, নাজিরশাইল ২০০ টাকা বেড়ে ৩৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিনিগুড়া চালের দামও বস্তায় ১০০০ টাকা বেড়ে সাত হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হঠাৎ চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় সোমবার দুপুর ২টা থেকে বিকাল পর্যন্ত নগরীর পাহাড়তলী বাজারে চালের আড়তে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছেন। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) উমর ফারুক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত। অভিযানে লাইসেন্স প্রদর্শন করতে না পারায় একটি চালের আড়তের মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি একাধিক আড়তদারকে মজুতের ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়। পাহাড়তলী বাজার ঘুরে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং টিম জানায়, প্রতি বস্তা চাল পাইকারিতে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা বেড়েছে। আতপ চালের বস্তায় ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে আমরা আজকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছি। আমাদের কাছে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্যবসায়ী ছাড়াও অনেকে ট্রেড লাইসেন্স বা লাইসেন্স ছাড়া ধান-চাল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন। এসব ধান-চাল মজুতকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাহাড়তলী বাজার বণিক সমিতির সহসভাপতি জাফর আলম বলেন, সরকারের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ চাল মজুত আছে। এছাড়া প্রতিটি চালকলেও মজুত অনেক। ফলে দাম বাড়ার কোনও কারণ নেই। জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, মিলার ও আড়তদাররা যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সে ব্যাপারে নজর দেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ