• শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০২:৩২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
ফটিকছড়ি উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে, তবে ভোটার উপস্থিতি খুবই কম চৌদ্দগ্রামে রিল্যাক্স পরিবহনের বাস খাদে পড়ে নিহত ৫ নাসিরাবাদ এলাকার মিললো দুই নবজাতকের মরদেহ চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের হজ ফ্লাইট বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ইউনিয়নে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি গুলি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত যুব ঐক্য পরিষদের সাতকানিয়ার যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন মিশু দাশ উপজেলা নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপির স্বজনদের বিরত রাখা দলের নীতিগত সিদ্ধান্ত : কাদের পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে ভারত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হবে আগামী ১২ মে

বান্দরবানের শনিবার রাত থেকে যৌথ অভিযান শুরু: সেনাপ্রধান

অনলাইন ডেস্ক
আপডেটঃ : রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৪

বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবানের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গতকাল ৬ এপ্রিল শনিবার রাত থেকে যৌথ অভিযান শুরু করা হয়েছে। এরইমধ্যে দুটি অস্ত্র ও কয়েকজন সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। ৭ এপ্রিল রোববার সকালে হেলিকপ্টারে বান্দরবান পৌঁছে বান্দরবান ৬৯ সেনা রিজিয়নে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন তিনি। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশে গতকাল রাত থেকে কেএনএফ সশস্ত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে কম্বাইন্ড অপারেশন শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে দুটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত যৌথবাহিনীর অভিযান চলবে। তিনি আরও বলেন, কম্বাইন্ড অপারেশন এবং গোয়েন্দা কার্যক্রমও চলছে। তাই অপারেশনের সবগুলো দৃশ্যমান নয়। কিছু কার্যক্রম অদৃশ্যে চলবে, যা সাধারণ মানুষ দেখবে না, কিন্তু সুফল ভোগ করবে। এদিকে কেএনএফের তাণ্ডবের ঘটনায় রুমা ও থানচিতে আজও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আতঙ্ক কাটেনি দুই উপজেলাবাসীর। এসব তাণ্ডবের ঘটনায় মামলার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো আটি। তারমধ্যে রুমায় চারটি এবং থানচিতে চারটি। সবগুলো মামলায় আসামি অজ্ঞাত। বিষয়টি নিশ্চিত করে বান্দরবানের পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন জানান, রুমার ঘটনায় বাদী হয়ে মামলা করেছেন সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা, মসজিদের ইমাম, পুলিশ ও আনসার এবং থানচিতে সোনালী ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা এবং দুটির পুলিশ বাদী। তবে এখন পর্যন্ত মামলায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে রুমা ও থানচি কোথাও নতুন করে কেএনএফের গোলাগুলির খবর পাওয়া যায়নি। হামলা লুটপাটকারীদের ধরতে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে। রুমা-রোয়াংছড়ি, থানচি-আলীকদম সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে চালানো হচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান। নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলেও জানান তিনি। এছাড়া ব্যাংক ডাকাতির পর থেকে নিরাপত্তার স্বার্থে রুমা-থানচি ও রোয়াংছড়ির সোনালী-কৃষি ব্যাংকের সব লেনদেন বন্ধ। এই তিন উপজেলার গ্রাহকরা বান্দরবান সদর শাখায় লেনদেন করতে পারবেন বলে জানিয়েছিলেন সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আফজাল করিম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ