• মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০১:০৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
ফের আসছে নতুন ঝড়, নদীবন্দরকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারী সংকেত ফটিকছড়ি উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে, তবে ভোটার উপস্থিতি খুবই কম চৌদ্দগ্রামে রিল্যাক্স পরিবহনের বাস খাদে পড়ে নিহত ৫ নাসিরাবাদ এলাকার মিললো দুই নবজাতকের মরদেহ চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের হজ ফ্লাইট বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ইউনিয়নে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি গুলি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত যুব ঐক্য পরিষদের সাতকানিয়ার যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন মিশু দাশ উপজেলা নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপির স্বজনদের বিরত রাখা দলের নীতিগত সিদ্ধান্ত : কাদের পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে ভারত

পর্যটকের সমাগমের অপেক্ষায় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার : এবার ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটিতে লাখো পর্যটকের সমাগমের অপেক্ষায় সমুদ্র সৈকতের কক্সবাজার। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে এখানকার হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট-গেস্টহাউসগুলো নান্দনিকভাবে সাজানো হয়েছে। সেইসঙ্গে হোটেল-মোটেলগুলোতে সর্বোচ্চ ৬০-৭০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজান মাসজুড়ে ফাঁকা সমুদ্র সৈকত ঈদের ছুটিতে পূর্ণতা পাবে। তবে, কোনও ব্যবসায়ী পর্যটকদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা আদায় করতে না পারেন, সে বিষয়ে তারা কঠোর তৎপর থাকবে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ। হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীরা বলছেন, রোজার কারণে কক্সবাজার এখন প্রায় নির্জন। নেই পর্যটক ও হকারের ভিড়। পর্যটক টানতে তাই হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে চলছে বিশেষ ছাড়। সমুদ্রসৈকতের লাবণি, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে সব সময় পর্যটকের ভিড় লেগে থাকে। পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকে এই তিন কিলোমিটার এলাকা। এখন এসব সৈকত পয়েন্টে সুনসান নীরবতা। এ কারণে সৈকতের বালিয়াড়িতে চাপাপড়া সাগরলতা মাথা তুলছে। সৈকতে লাল কাঁকড়া, ডলফিনসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণী অবাধে বিচরণের সুযোগ পাচ্ছে। ঈদের ছুটি সামনে রেখে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁগুলো সেজে উঠছে নতুন করে। প্রায় প্রতিটি হোটেল-রেস্তোরাঁয় চলছে বিভিন্ন রকমের ছাড়। তারকা মানের হোটেল ও রিসোর্টগুলোতে কক্ষ ভাড়ায় ৬০-৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় চলছে। কক্সবাজার সৈকতের কলাতলী হোটেল-মোটেল জোন, প্রধান সড়ক ও মেরিন ড্রাইভে প্রায় ৫০০ হোটেল, গেস্ট হাউস, কটেজ ও রিসোর্ট রয়েছে। ২০০ থেকে ২৫০টি রেস্তোরাঁ আছে এখানে।
পর্যটন ব্যবসায়ী শফিউল করিম বলেন, ঈদের ছুটিতে লাখো পর্যটক সমাগমের আশা করছি আমরা। সেভাবে প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের থাকা-খাওয়ায় ছাড়ও আছে এখনও। মার্চ মাসের পর থেকে বিশেষ ছাড় শুরু হয়েছে। চলবে ঈদ পর্যন্ত।
শহরের অভিজাত হোটেল ওশান প্যারাডাইস, সায়মন বিচ, সি গাল, সি প্যালেস, লং বিচ, মিডিয়া ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন হোটেল, গেস্ট হাউস, কটেজ ও রিসোর্টে ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এই ছাড় ঈদের আগের দিন পর্যন্ত থাকবে বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ